এদিকে হাউয ডেমোক্র্যাট ককাস চেয়ার পিট অ্যাগিলার দাবি করেছেন, ট্রাম্পের শুল্কারোপের ঘোষণার পরেই দেশের অর্থনীতির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তার মতে, ট্রাম্প প্রশাসন দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন দেশের নিরাপত্তা বিপন্ন করছে, অর্থনীতি ধ্বংস করছে এবং সোশ্যাল সিকিউরিটি ভেঙে ফেলছে। মঙ্গলবার, হাউয ডেমোক্র্যাটদের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব অভিযোগ করেছেন তিনি।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, শুল্ক আরোপ করার বিষয়ে, ট্রাম্পের ঘোষণার পরেই দেশের শেয়ার বাজারে ধস নেমেছে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। সেনেটর অ্যাগিলার দাবি করেন, ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার সময় দেশে জীবন যাত্রার খরচ কমানোর অঙ্গীকার করলেও, বাস্তবে হয়েছে তার উল্টো। তিনি মনে করেন, ট্রাম্পের কাছ থেকে দেশের মানুষ বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং দুর্নীতি ছাড়া আর কিছুই পায়নি।
এদিকে, হাউয স্পিকার মাইক জনসন দেশের অর্থনীতি নিয়ে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এসময় তিনি দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প শুধু দেশের অর্থনীতি নয়, সারা বিশ্বের অর্থনীতির ইতিহাস পাল্টে দিয়েছিলেন। স্পিকার জানান, আবারো অর্থনীতিকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে ট্রাম্প শুল্ক আরোপের মত আরো অনেককিছু করবেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই অ্যামেরিকাকে বাণিজ্যিকভাবে বঞ্চিত করে আসছে। বিশ্ব বানিজ্যে বৈষম্য কমাতে শুল্ক আরোপ তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেন তিনি।
এসময়, অ্যামেরিকার স্বার্থ সবার আগে- প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই নীতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যাক্ত করেন হাউয স্পিকার।