ট্রাম্পের শুল্ক মোকাবিলায় ‘শক্তিশালী পরিকল্পনা' নেবে ইইউ

টিবিএন ডেস্ক

এপ্রিল ২ ২০২৫, ২:১৫

ব্রাসেলসে বক্তব্য দিচ্ছেন ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। রয়টার্স

ব্রাসেলসে বক্তব্য দিচ্ছেন ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। রয়টার্স

  • 0

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় ‘শক্তিশালী পরিকল্পনা’ নেয়ার কথা জানিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। তবে একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দেয় ইইউ। মঙ্গলবার বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিং-এ এসব কথা জানান ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন।

ইউরোপ উৎপাদিত পণ্যের ওপর অ্যামেরিকা শুল্ক আরোপ করলে কেউ লাভবান হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। লিয়েন জানান, অ্যামেরিকা যদি ইউরোপের পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করে তবে তা মোকাবেলার জন্য শক্তিশালী পরিকল্পনা রয়েছে ইউরোপের। তবে এমন বাণিজ্যযুদ্ধ এড়াতে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের একটি পথ খুঁজে বের করা জরুরি বলে মত দেন তিনি।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কখনোই অন্য কোন দেশের সাথে অসম বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি জানিয়ে লিয়েন বলেন, ইউরোপ ঐক্যবদ্ধভাবে সব ধরণের সংকট থেকে উত্তরণে বদ্ধপরিকর। অ্যামেরিকার আগ্রাসী শুল্কনীতির কারণে ইউরোপের জনগন যাতে সংকটে না পড়েন সেই লক্ষ্যে শক্তিশালী পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। যদিও এই ‘শক্তিশালী পরিকল্পনার’ বিস্তারিত জানাননি লিয়েন।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দোসরা এপ্রিলের নাম দিয়েছেন ‘লিবারেশান ডে’। সেদিন তিনি তার শুল্ক পরিকল্পনার বিস্তারিত ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউয। যদিও সেদিন আসলে কি ঘটতে যাচ্ছে সেবিষয়ে এখনো অনিশ্চিত বিশ্লেষকরা। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এই নতুন শুল্ক বিশ্বের প্রতিটি দেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এরই মধ্যে ইউরোপের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। জানিয়েছেন, ইউরোপে উৎপাদিত গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করা হবে। ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্টের আশংকা, গাড়ির পাশাপাশি ইউরোপের সেমাই কন্ডাকটর এবং ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের ওপরও উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করবে অ্যামেরিকা।

ভন ডার লিয়েন জানান, ডনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক বিষয়ক ঘোষণা সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। এছাড়া, পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, সে বিষয়ে ইউরোপের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। ইউরোপ কোন প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিতে চায় না উল্লেখ করে লিয়েন জানান, ইউরোপে উৎপাদিত পণ্যের ওপর অ্যামেরিকার শুল্ক আরোপ করা হলে কেউই লাভবান হবে না।


0 মন্তব্য

মন্তব্য করুন